ফেনীতে চাঁদার দাবিতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রবাসীর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ
ফেনীর আয়না ডেস্ক
ফেনীর দাগনভূঞায় চাঁদার টাকা না দেওয়ায় এক প্রবাসীর পরিবারকে হামলার শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলায় পরিবারের শিশুসহ মোট ১২ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়া হয়েছে। হামলাকারীরা প্রবাসীর স্ত্রীর গহনা ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হামলার শিকার প্রবাসীর ভাগিনা জানান, তার মামা সম্প্রতি দাগনভূঞা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যানের কাছ থেকে একটি গাড়ি কেনেন। এরপর থেকেই স্থানীয় যুবদল নেতা নাসির ও তার সহযোগীরা ৫-৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। তারা হুমকি দেয় যে চাঁদা না দিলে গাড়ি জব্দ করে নেওয়া হবে। প্রায় তিন মাস ধরে তাদের পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল।
তিনি আরও জানান, তার মামার বিয়ে থেকে ফেরার পথে বেকের বাজারে জনতা ব্যাংক এর সামনে তাদের গাড়ি দুইবার আটকানো হয়। এরপর ওতপেতে থাকা নাসির ও তার সহযোগীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হন এবং ৩-৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী প্রবাসী জানান, গাড়ি কেনার পর স্থানীয় নেতা সজীব তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা তার শিশু সন্তানদের ওপরও নির্যাতন চালায় এবং তার স্ত্রীর শরীর থেকে ১২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয়। তিনি থানায় অভিযোগ করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানান।
প্রবাসীর স্ত্রী অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাদের গাড়ির ভেতরে তালাবদ্ধ করে রেখে যায়, এতে শিশুরা আতঙ্কে কান্নাকাটি করে। তিনি বের হয়ে আসার পর তাকেও মারধর করা হয় এবং স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। তারা প্রশাসনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, হামলায় জড়িত যুবদল নেতা নাসির ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনা হোক এবং দলীয়ভাবে বহিষ্কার করা হোক।










