চট্টগ্রামে সাংবাদিক পরিচয় দানকারী একজনকে বাংলা মদ সহ আটক করেছে পুলিশ
এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : সাংবাদিক পরিচয়ে চট্টগ্রাম-ফটিকছড়ি সড়কে শতাধিক অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা পরিচালনা করতেন ইটিভি'র ক্যামেরাম্যান বিপ্পব মজুমদার, অবশেষে ১৩ লিটার মদসহ পুলিশের হাতে ধরা খেলেন তিনি।
সূত্র জানায়, চট্টগ্রামের রাউজানে দেশীয় তৈরি ১৩ লিটার চোলাই মদ সহ ওই বিপ্লব মজুমদার (৪১) নামে এক টেলিভিশনের ক্যামেরাপার্সনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১টি মোটরসাইকেল ও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার ১৩ নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে, বিষয়টি রবিবার (৩০ নভেম্বর) জানাজানি হয়।
গ্রেপ্তারকৃত বিপ্লব মজুমদার চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৬নং পূর্ব বারখাইন ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়ার সন্দু সাধুর বাড়ীর মৃত অজিত মজুমদারের পুত্র বলে জানা গেছে।
তিনি বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির ক্যামেরা পার্সন হিসেবে চট্টগ্রামে কর্মরত: বলে ও সূত্র জানায়।
এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বিপ্লব মজুমদার নামের ওই ব্যাক্তির তত্বাবধানে চট্টগ্রাম-ফটিকছড়ি রুটে শতাধিক সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করে। আর ওই সব সিএনজি গুলোতে পাহাড়ি বাংলা মদ সহ আরো অন্যান্য অবৈধ জিনিসাধি পারাপার করা হয় বলে ও অভিযোগে প্রকাশ।
রবিবার বিকেলে সংবাদ মাধ্যমের কাছে ঘটনার বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন রাউজান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাদ্দাম হোছাইন।
তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ১৩নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ডিগ্রী কলেজের সামনে চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেল যোগে যাওয়া আসামী বিপ্লব মজুমদারকে পুলিশ থামার সংকেত দেয়। তার হেফাজতে কি আছে জানতে চাইলে বিপ্লব মজুমদার সন্দেহজনক আচরণ ও এলোমেলো কথাবার্তা বলতে থাকেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বিপ্লব মজুমদারের দেহ ও হেফাজতে থাকা মোটরসাইকেল তল্লাশি করলে তার কাঁধে থাকা ব্যাগ ও ব্যবহৃত মোটর সাইকেলের পিছনের হুকে লাগানো বাজারের ব্যাগ থেকে ১৩ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ পাওয়া যায়। এ ছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১টি মোটর সাইকেলও জব্দ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে রাউজান থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রামে কর্মরত: বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকদের মধ্যে নানাবিধ: আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সাংবাদিকরা এমন ঘটনার জন্য লজ্জা বোধ ও করছেন। তারা মনে করেন-সত্যিকারার্থে কোনো প্রকৃত সাংবাদিক বা তাদের কোনো সহযোগী এমন গর্হিত কাজের সাথে জড়িত থাকতে পারে না।









