কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে হাজারো মানুষের মিলন মেলা
আনছার কুতুবী, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধ
কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান।বেলা দুপুর ১টা থেকে সৈকতে আসতে শুরু করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বিভিন্ন যানবাহনে করে আনা প্রতিমাগুলো ট্রাকে করে কিংবা ভ্যানে করে নিয়ে আসে সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে।
বিকেলে চারটার দিকে বিশাল বালুচর শত শত প্রতিমায় ভরে যাই।
দেবী দুর্গার বিদায় বেলার এই আয়োজন দেখতে কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে এলাকা জুড়ে জোড় হয় বিপুল সংখ্যক মানুষ।
এরপর বিকেল ৫ টার সময় শুরু হয় বঙ্গোপসাগরে প্রতিমা বিসর্জন ।
কুতুবদিয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যরা বলেন , গত বছরের মতো এবারও শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন উৎসব সম্পন্ন হয়েছে ।কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি । এর মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হলো কুতুবদিয়া তথা বাংলাদেশে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ।
বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতার শেষে কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সমুদ্র সৈকতে আনা হয় ।এর আগে মন্ডপ গুলোতে পুরোহিত দের মন্ত্র পাঠ ,পূজার ঘন্টা, ঢাকের বাধ্য, ধূপ ও ফুলের অঞ্জলিতে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান ভক্তরা। ছয় দিনের পূজার আনন্দ শেষে বিদায় বেলায় তাদের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া ।বিকেলে সমুদ্র সৈকতের প্রতিমাকে ঘিরে শেষ মুহূর্তে পূজা-অচনায় অংশ নেন ভক্তরা। অনেকে দেবীর কপালের উপরে সিঁদুর ছুঁইয়ে প্রণাম করেন। বিকেলে মন্ত্রপাঠের পর বিসর্জন শুরু হলে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয় এই বিসর্জনে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে মাকে বিদায় জানাতে পেরে অনেকে শান্তি মনে করেছেন। তবে তাদের মা চলে যাওয়া মন ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে।
এই প্রতিমা বিসর্জনের উৎসবকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে সমুদ্র সৈকত সহ পুরো কুতুবদিয়া উপজেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
পুলিশের পাশাপাশি আনসার সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে পালন করেন।










