বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চলমানশিরোনাম
বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে ডাক্তার নামক আজরাইল খতনা করাতে গিয়ে ৭ বছরের শিশুর জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে: গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি

চট্টগ্রামে ডাক্তার নামক আজরাইল খতনা করাতে গিয়ে ৭ বছরের শিশুর জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে: গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি
প্রিন্ট নিউজ

এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামে ডাক্তার নামক এক মানুষরুপী নরপশু আজরাইল এর রুপ ধারণ করে খতনা করাতে গিয়ে মাত্র ৬ বছর বয়সের ছোট্ট শিশুর জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে।
সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানাধীন বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকার বেসরকারি হাসপাতালে খতনা করাতে গিয়ে ৬ বছর বয়সের শিশু মোহাম্মদ মোস্তফার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়। কমিটিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
গতকাল সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত নোটিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে সংবাদ মাধ্যমকে। তদন্ত কমিটিতে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ারকে সভাপতি করা হয়েছে। এ ছাড়া সদস্য সচিব করা হয় সিভিল সার্জন কার্র্যালয়ের এমও ডাঃ মোঃ নুরুল হায়দারকে। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন, মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (এনেসথেসিয়া) ডাঃ মোহাম্মদ রাজীব হাসান, বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি) ডাঃ নিগহাত জাবীন এবং হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডাং মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম।
জানা গেছে, গত শনিবার খতনা করাতে গিয়ে জেলার বোয়ালখালীর শিশু মোহাম্মদ মোস্তফার মৃত্যু হয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বহদ্দারহাট এক কিলোমিটার এলাকার সেইফ হেলথ কেয়ার হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা ৬ টায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে রাত ১০টার দিকে আইসিইউতে তার মৃত্যু ঘটে।
ডাক্তাররা জানান, হার্ট অ্যাটাক করে শিশুটি মারা গেছে।
তবে, শিশুর বাবা আবু মূসা বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুনাইদ চৌধুরী বিকেলে আমার ছেলের অপারেশন করেন। সন্ধ্যায় হাসপাতালের লোকজন জানান, আমার ছেলের অবস্থা খারাপ, তাকে চমেক হাসপাতালে নিতে হবে। রাত ১০টায় বলা হয়, সে মারা গেছে। আমার ছেলের প্রশ্রাবের রাস্তায় সমস্যা ছিলো। সেটির অপারেশনের পাশাপাশি খতনা করানোর কথা ছিলো। কিন্তু, আমার হাসিখুশি ছেলেটা একেবারে চলেই গেলো।
উল্লেখ্য, আবু মুসার দুই সন্তানের মধ্যে মোস্তফা সবার বড়। তার দুই বছর বয়সী আরো একটি ছেলে রয়েছে। তিনি বোয়ালখালীর পূর্ব গোমদন্ডি গ্রামে পরিবারের সাথে বসবাস করেন। স্থানীয় একটি ডিশ ক্যাবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন তিনি।

শেয়ার করুন

ফটোকার্ড

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

ডাউনলোড করুন
বিজ্ঞপ্তি
দেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম দৈনিক দেশের আয়নার পক্ষ থেকে সকল দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া যেকোনো অনিয়ম, দুর্নীতি, হত্যাকাণ্ড, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, মাদক ও জনদুর্ভোগের খবর আমাদের জানিয়ে সহযোগিতা করুন। দৈনিক দেশের আয়না সর্বদা আপনার পাশে। যোগাযোগ: ০১৭১১৩৪৯২৩৭