শনিআখড়া লাইফ হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ
ফখরুল আলম সাজু
রাজধানী ঢাকা শনিআখড়া এলাকায় লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলায় ১ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে, এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দালালচক্রের মাধ্যমে ১ প্রসূতি মাকে লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ১টি সন্তান জন্ম নেয়।
পরিবারের দাবি, জন্মের সময় নবজাতক শিশুটি সুস্থ ছিল, তবে চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলার কারণে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং ভর্তি হওয়ার ১ দিন পর নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়।
১২ জুন শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে নবজাতকটির মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, শিশুর মৃত্যুর পর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আচরণে তারা হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, লাইফ হাসপাতাল পরিচালনায় বিভিন্ন অনিয়ম রয়েছে এবং দালালের মাধ্যমে রোগী আনার অভিযোগও দীর্ঘদিনের, এ ঘটনায় তারা নবজাতকের দাফন সম্পন্ন করার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা যায়, পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করবেন।
নবজাতক শিশুটির মৃত্যু নিয়ে এ বিষয়ে লাইফ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিক লাইফ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার মুঠো ফোনে গণমাধ্যমের ১ জন ফোন দেন, গণমাধ্যম ফোনে এ বিষয়টি জানতে চাইলে লাইফ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান, যাকে ফোন দিয়েছি আসলে তাকেই জিজ্ঞেস করবেন তিনি কে।
১ পর্যায়ে গণমাধ্যমের টিম ৫ মিনিট অপেক্ষা করার পরেই দেখতে পায় মূল ফটোক দিয়ে ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি ভিতরে প্রবেশ করেন, ১ পর্যায়ে তাদের পরিচয় জানতে পারা যায় তারা যাত্রাবাড়ী থানার জামায়েত ইসলামের নেতাকর্মী, তাদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে, ১ পর্যায়ে লাইফ হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ সহ সকলেই সাংবাদিকদের উপর চড়া হন এবং ১ পর্যায়ে তাদের বাইরে বের হতে বাধ্য করেন।
ওই সময় লাইফ হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ বলেন, সাংবাদিক মিডিয়ায় এসব আসলে তার কি হবে, কিছুই হবে না।
একটি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে একই ভাবে আয়া দিয়ে সিজার করানোর সময় ১ গর্ভবতী মায়ের মৃত্যু হয়।
তৎকালীন সময়ে লাইফ হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ তার পালিত ক্যাডার বাহিনী দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়, তাই এলাকাবাসীর এবং সুশীল সমাজের একটাই চাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।