বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি :
পণ্য অপসারণে অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আদেশটি রবিবার সকালে বেনাপোল বন্দরে আসে।

অফিস আদেশে বলা হয়, বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-২-এর দায়িত্বে থাকাকালে গত ২ জুন কাস্টমস হাউস, বেনাপোলের একটি ম্যানিফেস্টের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য চালানের কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এতে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে, পণ্যগুলো বেনাপোল স্থলবন্দরের জিম্মায় সংরক্ষিত থাকা অবস্থায় তা পরিবর্তন করে অবৈধভাবে অপসারণের চেষ্টা করা হয়। আদেশে আরও বলা হয়েছে গত ৪ জুন বন্দরের ৩৭ নং শেডের সুরক্ষিত চাবি ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালাল শেড ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর না করে অন্য ব্যক্তির কাছে দেন। পরে ৬ জুন রাতে শেডে কয়েকজনের অবৈধ প্রবেশ ও পণ্য স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। ওই শেডের একটি চাবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে সংরক্ষিত থাকার বিষয়টিও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে আর এক অফিস আদেশে একই অভিযোগে ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজী রতনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ২০০৪-এর বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভাগীয় মামলার তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা সমীচীন নয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী কাজী রতনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধিমোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

an adbox will go here

এই বিষয়ে আরো পড়ুন