সেনবাগে নিখোঁজের চার দিন পর বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সেনবাগে নিখোঁজের চার দিন পর আবুল কাশেম (৬০) নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যায় সেনবাগ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিন্নাগুনি গ্রামের ফজল মুন্সি বাড়ির পশ্চিম পাশে এবং সেনবাগ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পূর্ব পাশে একটি ময়লার ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ওই ময়লার ডোবা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে তারা সেখানে গিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে বিষয়টি সেনবাগ থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত আবুল কাশেম সেনবাগ উপজেলার ৪ নম্বর কাদরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপুর গ্রামের রমিজ উদ্দিন হাজী বাড়ির মৃত তনু মিয়া ওরফে নুরু মিয়ার ছোট ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ অবস্থায় আবুল কাশেম সেনবাগ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরে গত ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে তিনি হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা সেনবাগের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন ২৪ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর নিখোঁজের সংবাদ প্রচার করা হয়।
এরপরও তাঁর সন্ধান না পাওয়ায় রোববার ও সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সেনবাগ উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন হাটবাজার ও এলাকায় মাইকিং করে নিখোঁজের সংবাদ প্রচার করা হয়। এরই মধ্যে সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুর রহিম সরকার জানান, আবুল কাশেম কয়েক দিন আগে নিখোঁজ হন। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আবুল কাশেমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।