ভোলা টেলিকমের কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায় অবস্থিত পরিচিত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও মোবাইল ফোনের দোকান ভোলা টেলিকমে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দোকানটির মালিক মোহাম্মদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে দোকান মালিক জানান, ১০০ টাকার একটি বিকাশ লেনদেনকে কেন্দ্র করে তার এক কর্মচারীর সঙ্গে কয়েকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন যুবক দোকানে প্রবেশ করে কর্মচারীর ওপর হামলা চালায়। হামলায় ওই কর্মচারীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং রক্তক্ষরণ হয় বলে তিনি দাবি করেন। এ সময় হামলাকারীরা দোকানে ভাঙচুরের চেষ্টা করে এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
দোকান মালিক বলেন, দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর ধরে ঢাকা উদ্যান এলাকায় সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। এই সময়ে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধে জড়াইনি। আমরা ব্যবসা করতে এসেছি, কারও সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, একটি চক্র বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন সময় ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদা দাবি করছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
মালিকের ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতেও বিভিন্ন সময় দোকানে মোবাইল ফোন মেরামত বা যন্ত্রাংশ পরিবর্তনের পর কিছু ব্যক্তি টাকা পরিশোধ না করেই চলে গেছে। তবুও তারা কখনো কোনো সংঘাতে জড়াননি। সর্বশেষ হামলার ঘটনার পর বাধ্য হয়ে তিনি মোহাম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
তিনি জানান, অভিযোগের পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইতোমধ্যে ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছেন। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশ সংগ্রহ করেছে বলে তিনি দাবি করেন। ঘটনার সময় দ্রুত দোকান বন্ধ করে দেওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণমাধ্যমের সামনে দোকান মালিক আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার বিচার করে দেওয়ার কথা বলে একটি পক্ষ তার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছে। বিষয়টি নিয়েও তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, মানবাধিকার সংস্থা এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।
উল্লেখ্য, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে। দ্বিতীয় পর্বে বিস্তারিত ২