উত্তরা সিটি কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করবেন আদাবর বিএনপির এক আত্মার প্রতীক মনোয়ার হাসান জীবন

স্টাফ রিপোর্টার মোহাম্মদ সাফায়েত:

ঢাকা মহানগর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আদাবর থানা অন্তর্গত ৩০ নং ওয়ার্ড একটি মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাং, দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের দখলে রয়েছে। আমার মা ও বোনসহ কোনো নারীর সাথে অন্যায়, অবিচার, ইভটিজিংসহ রাস্তাঘাটে চলার পথে কোনো ধরনের সমস্যা হলে, আমি হাসান বেঁচে থাকতে এগুলো হতে দেব না।
এই নেতা আরও বলেন, আমার বয়স যখন ১২ বছর, তখন থেকেই আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের প্রতি অনুগত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও নীতিমালা নিয়ে আমি বই পড়তাম। জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন। তিনি একজন আদর্শবান রাজনৈতিক নেতা। তাঁর দলের কোনো বদনাম হয়, এমন কোনো কাজ আমি করতে চাই না, আর কাউকে করতেও দেব না।
আমি অঙ্গীকার করছি, ৩০ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক ও মডেল একটি পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব।
এই নেতা হাসান আরও বলেন, আমি দীর্ঘদিন বিএনপির সাথে রাজনীতি করেছি। বিভিন্ন সময়ে আমার রাজনীতির প্রতি হিংসার কারণে সমালোচনা ও দল থেকে বিরোধিতার শিকার হয়েছি। আদাবর থানা যুগ্ম আহ্বায়ক পদ নিয়েও বিভিন্ন সময় আমাকে নিয়ে টানাপোড়েন হয়েছে। আমার সিনিয়র নেতাদের মাধ্যমে কখনো আমাকে বহাল, আবার কখনো স্থগিত করা হয়েছে। তবুও আমি দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি বিশ্বাস রেখে দীর্ঘদিন কাজ করে যাচ্ছি।
কেননা আমি জানি, দল করলে হিংসা-বিদ্বেষ থাকবেই। আমার পথচলায় এসব থাকতেই পারে। আমার যোগ্যতায় আমি তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন সাধারণ কর্মী। দল যদি আমাকে ভালোবেসে বিশ্বাস করে, তাহলে আরও বড় দায়িত্বও আমাকে দিতে পারে—এই বিশ্বাস আমি আমার সিনিয়র নেতাদের প্রতি রাখি।
আমি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শাসনামলে ২০০টির বেশি মামলার শিকার হয়েছি। আমাকে গুম করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর রহমত, আমার মা-বাবার দোয়া এবং আপনাদের ভালোবাসায় আমাকে প্রাণে মারতে পারেনি।
তাই আমার খুব ইচ্ছা, আপনারা যদি সুযোগ করে দেন, তাহলে আমি ৩০ নং ওয়ার্ডবাসী ও এলাকার মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ পাব। কারণ আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদের সামনে বড় হয়েছি।
আমি যদি কারো সাথে জেনে বা না জেনে কোনো অন্যায় বা ভুল করে থাকি, আমাকে মাফ করে দেবেন। ভুল মানুষেরই হয়, আমি কোনো ফেরেশতা নই। তাই বলছি, আমারও ভুল হতে পারে।
আমি চাই, আপনাদের সামনে বড় হয়েছি, আপনাদের সামনেই যেন মৃত্যুবরণ করে এই দুনিয়া থেকে চলে যেতে পারি। আমার জানাজায় আপনারা অংশগ্রহণ করবেন এবং আমাকে মাটি দেবেন—এইটাই আমার শেষ চাওয়া।

an adbox will go here