
মোঃ মোশারফ হোসেন সরকার
যিনি ( হানিফ সংকেত) জামালপুর জেলাকে সারা বাংলাদেশসহ বিশ্বে জামালপুর জেলার ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন, আর জামালপুর জেলার কিছু মানুষ তাকে সম্মান না করে অসম্মান করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
একটা অনুষ্ঠানের শুটিং এবং পরিচালনার সব বিষয়কে এবং নিজে উপস্থাপনা করে সব বিষয় যে ঠিক রাখতে পারবেন এমন কোন ব্যক্তি তৈরি হয় নাই। হয়তো হানিফ সংকেত কিছুটা ভুল হতে পারে তাই এইভাবে বাজে মন্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করা কি ঠিক হচ্ছে জামালপুরবাসীর কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই?
জামালপুর জেলার ১০ই সেপ্টেম্বর ইত্যাদির অনুষ্ঠানে জামালপুর জেলার সাতটি উপজেলার উপজেলা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তিন হাজার টিকেট বিতরণ করেছিলেন হানিফ সংকেত স্যার। এই অনুষ্ঠানে ৩০০০ দর্শক উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল এবং উপস্থিত হতে পারবেন বলে জায়গাটি উন্মুক্ত করা হয়েছিল। তিন হাজার দর্শকের মধ্যে প্রায় ২০ হাজার দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন সেই দিন। যেখানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও ইত্যাদির অনুষ্ঠান এর শৃঙ্খলা রক্ষা করতে ব্যর্থ।
কিছু ভিডিওতে দেখা যায় হানিফ সংকেত কিছু ভিডিওতে দর্শকদের পিছিয়ে যেতে বলেন পুলিশের মাধ্যমে। পুলিশ একাধিকবার বলার পরেও ওইখান থেকে দর্শকরা একটুও সরে যায়নি। ফলে পুলিশ অফিসার ব্যর্থ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। তখন ওই পুলিশ অফিসার কে হানিফ সংকেত স্যার,বলে ওঠেন 'এই পুলিশ' !
এতে অনেকেই ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফ সংকেত স্যার কে অপমান করার জন্য ফেসবুকে বাজে মন্তব্য করে ভিডিও আপলোড করতে দেখা যায়।
যেখানে একজন মানুষ জামালপুর জেলা কে রিপ্রেজেন্টেশন করতে অতিথি হিসেবে এসেছেন। জামালপুরবাসি সেখানে সাহায্য করার কথা। সাহায্য না করে দর্শকদের মনের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছেন কিছু অসাধু মানুষ। এইসব মানুষদের জন্যই ২৫শে সেপ্টেম্বরে এই ডকুমেন্টারি ভিডিওটি প্রকাশ করতে কিছু সমস্যা হতে পারে।
জামালপুর জেলাকে নিয়ে ইতিপূর্বে এমন ডকুমেন্টারি ভিডিও কেউ তৈরি করেছে বলে কারো জানা নেই।
জামালপুরবাসী ২৫শে সেপ্টেম্বর রাত আটটার পর টেলিভিশন পর্দায় বিটিভি চ্যানেলের সংবাদের পর জামালপুর জেলা নিয়ে ইতিহাস,, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ,এবং অজানা অনেক তথ্যই তুলে ধরেছেন তা ইত্যাদির মাধ্যমে জানতে পারবেন। দেখে তখন বুঝতে পারবেন জামালপুর জেলা কে সারা বাংলাদেশসহ বিশ্বে কিভাবে হাইলাইট করে তুলে ধরেছেন ইত্যাদির হানিফ সংকেত ।